ZamZam Travels BD Loading

২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে হজ ফ্লাইট কবে শুরু হবে? তারিখ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

জানুন ২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে হজ ফ্লাইট কবে শুরু হবে, কতজন হজযাত্রী যেতে পারবেন, এবং কোন এয়ারলাইন্স যাত্রী পরিবহন করবে।

  1. Home
  2. Blog
  3. ২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে হজ ফ্লাইট কবে শুরু হবে? তারিখ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
Back to blogs May 22, 2025
২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে হজ ফ্লাইট কবে শুরু হবে? তারিখ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে হজ ফ্লাইট কবে শুরু হবে? তারিখ, প্রস্তুতি ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

প্রতি বছরের মতো ২০২৬ সালেও বাংলাদেশ থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসলমান পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব গমন করবেন। এই বিশাল আয়োজনকে সুষ্ঠু, নিরাপদ এবং সমন্বিতভাবে পরিচালনা করতে সরকার, এয়ারলাইন্স এবং সংশ্লিষ্ট হজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তাই অনেকের কাছেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—বাংলাদেশ থেকে ২০২৬ সালের হজ ফ্লাইট কবে শুরু হবে, কতদিন চলবে, এবং কী ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে? (Daily Sun)

এই আলোচনায় আমরা ২০২৬ সালের হজ ফ্লাইট শুরুর সম্ভাব্য তারিখ, ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তুতি, যাত্রীসংখ্যা, এয়ারলাইন্সভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সহজভাবে তুলে ধরব।

 

২০২৬ সালে হজ ফ্লাইট শুরুর সম্ভাব্য তারিখ

২০২৬ সালের জন্য বাংলাদেশ থেকে হজ ফ্লাইট ১৮ এপ্রিল শুরু হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও ২০২৬ সালের হজ প্যাকেজ-গাইডলাইন অনুসারে এই সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের পবিত্র হজ ২৬ মে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও চূড়ান্ত তারিখ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করবে। (Daily Sun)

তাই ২০২৫ সালের মতো “২৯ এপ্রিল শুরু” তথ্য ২০২৬ সালের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। ২০২৬ সালের ক্ষেত্রে আপডেটেড তারিখ হবে ১৮ এপ্রিল। (Daily Sun)

২০২৬ সালের হজ ফ্লাইট সূচি নিয়ে আগে কী সিদ্ধান্ত হয়েছিল?

২০২৬ সালের হজ ফ্লাইট অপারেশন নিয়ে ২০২৫ সালের শেষ দিক থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এয়ারলাইন্সগুলোকে জানায় যে সৌদি আরবের ২০২৬ হজ রোডম্যাপ অনুযায়ী ফ্লাইট সূচি আগেই চূড়ান্ত করে প্রকাশ করতে হবে। এ জন্য জানুয়ারি ৫ থেকে ৭-এর মধ্যে এয়ারলাইন্সগুলোর ওয়েবসাইট ও হজ পোর্টালে ফ্লাইট সূচি প্রকাশের অনুরোধ করা হয়েছিল। (The Business Standard)

এটি প্রমাণ করে যে ২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনায় আগাম পরিকল্পনা, ফ্লাইট স্লট, এবং যাত্রীবণ্টনকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। (The Business Standard)

২০২৬ সালে কতজন বাংলাদেশি হজে যেতে পারেন?

২০২৬ সালের জন্য সংবাদসূত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে ৭৮,৫০০ জন নিবন্ধিত হজযাত্রী হজে অংশ নিতে পারবেন। আরেকটি জানুয়ারি ২০২৬-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সে সময় পর্যন্ত ৭৬,৫৮০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছিলেন। এই দুই তথ্য থেকে বোঝা যায় যে ২০২৬ সালের হজে বাংলাদেশি যাত্রীর সংখ্যা উচ্চ ৭০ হাজারের ঘরে নির্ধারিত ছিল এবং নিবন্ধন প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে এগিয়েছে। (Daily Sun)

 

কোন এয়ারলাইন্স হজযাত্রী বহন করবে?

২০২৬ সালের জন্য তিনটি এয়ারলাইন্স বাংলাদেশি হজযাত্রী পরিবহনের দায়িত্বে রয়েছে:

  • বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স

  • সৌদিয়া এয়ারলাইন্স

  • ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স (BSS)

সংবাদসূত্রে বলা হয়েছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স মোট যাত্রীর অর্ধেক বহন করবে, আর বাকি যাত্রীদের পরিবহন করবে সৌদিয়াফ্লাইনাস। তবে ২০২৬ সালের জন্য ৫০%-৩৫%-১৫% এর মতো নির্দিষ্ট চূড়ান্ত ভাগ আমি নির্ভরযোগ্য উন্মুক্ত ২০২৬ সূত্রে নিশ্চিতভাবে পাইনি, তাই সেটি এখানে উল্লেখ করা হচ্ছে না। (Daily Sun)

 

ফ্লাইট ব্যবস্থাপনায় কী কী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে?

২০২৬ সালের হজ ফ্লাইট অপারেশনের ক্ষেত্রে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কিছু নির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো:

  • একই সার্ভিস কোম্পানির হজযাত্রীদের একই ফ্লাইটে পাঠানোর চেষ্টা

  • প্রি-হজ ফ্লাইটকে প্রথম, মাঝামাঝি, এবং শেষ ধাপে ভাগ করে টিকিট বণ্টন

  • প্রতিটি এজেন্সিকে মাঝের ধাপে অন্তত ২০% যাত্রী পাঠানোর নির্দেশনা

  • প্রথম ও শেষ ধাপে ৩০% থেকে ৫০% এর মধ্যে যাত্রী বণ্টনের নীতি (Daily Sun)

এই নির্দেশনাগুলো থেকে বোঝা যায়, ২০২৬ সালে যাত্রী পরিবহনকে আরও সুশৃঙ্খল এবং agency-wise coordinated রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। (Daily Sun)

 

২০২৬ সালের হজ প্রস্তুতিতে আর কী কী গুরুত্বপূর্ণ?

বাংলাদেশের হজ পোর্টাল এবং ই-হজ সিস্টেম অনুযায়ী, শুধু ফ্লাইট তারিখ জানলেই হবে না; আরও কিছু বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। যেমন:

  • চূড়ান্ত নিবন্ধন

  • বিমান টিকিট বুকিং

  • পাসপোর্ট ও ভিসা প্রসেসিং

  • স্বাস্থ্য পরীক্ষা

  • টিকা

  • প্রশিক্ষণ

  • অনলাইন তথ্য যাচাই ও আপডেট (Hajj Bangladesh)

এছাড়া জানুয়ারি ২০২৬-এর একটি অফিসিয়াল নোটিশে দেখা যায়, বেসরকারি মাধ্যমের হজযাত্রীদের বিমান টিকিট বুকিং ও পে-অর্ডার করার কাজ তখন চলমান ছিল। (Ehaj Portal)

কেন ২০২৬ আপডেট আলাদা করে জানা জরুরি?

অনেক পুরনো আর্টিকেল বা আগের বছরের তথ্য দেখে মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে যান। যেমন, ২০২৫ সালের হজ ফ্লাইট ২৯ এপ্রিল শুরু হলেও ২০২৬ সালের ক্ষেত্রে তা ১৮ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই হজ-সংক্রান্ত ব্লগ, ফেসবুক পোস্ট, বা ওয়েবসাইট কনটেন্ট আপডেট করার সময় অবশ্যই বছরের সঙ্গে মিলিয়ে তথ্য সংশোধন করা জরুরি। (The Daily Star)

 

উপসংহার

২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে হজ ফ্লাইট ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা এবং পবিত্র হজ ২৬ মে ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বছরের হজযাত্রী পরিবহনের দায়িত্বে থাকবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স এবং ফ্লাইনাস। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাত্রীবণ্টন, ফ্লাইট সূচি, টিকিট বুকিং, হজ পোর্টাল আপডেট এবং সার্বিক সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। (Daily Sun)

তাই ২০২৬ সালের জন্য হজ প্রস্তুতি নিতে হলে পুরনো ২০২৫ তথ্য নয়, বরং আপডেটেড ২০২৬ সময়সূচি ও সরকারি নির্দেশনাই অনুসরণ করা উচিত।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সহজ ও কবুলযোগ্য হজের তাওফিক দান করুন। আমিন।